Name জ্ঞানচর্চা

  • | |

    মিনি-মস্তিষ্ক, ক্যানসারের টিকা আর মহাকাশের বর্ম

    বিজ্ঞান প্রতি সপ্তাহে অসংখ্য খবর দেয়। কিন্তু কিছু খবর সত্যিই থামিয়ে দেয়—ভাবতে বাধ্য করে। ১৫ থেকে ২১ আগস্ট ২০২৬—এই এক সপ্তাহে এমন তিনটি খবর এসেছে, যেগুলো মানুষের ভবিষ্যতের তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের কথা মনে করিয়ে দেয়: রোগের বিরুদ্ধে লড়াই, মস্তিষ্কের রহস্য বোঝার চেষ্টা এবং পৃথিবীর বাইরে মানুষের যাত্রাকে নিরাপদ করা।

  • | |

    অস্থির মন কেন তাড়াহুড়া করে?

    রাত দুইটা। ফোনের স্ক্রিনে একটা মেসেজ। বুকটা ধক করে উঠল। পরের দশ মিনিটে আপনি যা সিদ্ধান্ত নিলেন, তা হয়তো পরের দশ বছর বহন করতে হবে। চেনা লাগছে?জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন সমস্যার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায় সমস্যা নিয়ে আপনার মানসিক প্রতিক্রিয়া। দুঃসংবাদ, আর্থিক অনিশ্চয়তা, পারিবারিক সংকট, অসুস্থতা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্ক—এসবের মধ্যে আপনি খুব…

  • | |

    গণিতের কঠিন সমস্যায় নতুন সাফল্য: কম্পিউটার প্রোগ্রাম ‘Astra’ কী করে দেখাল

    ## রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জুলাই সনদের প্রস্তাবিত গোপন ভোটের দাবি কোথায়?

    একটি ছোট্ট কিন্তু ধারালো প্রশ্ন—নতুন রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হচ্ছেন? শেখ হাসিনার আমলের পদ্ধতিতে, নাকি জুলাই সনদের আলোকে?

    এই প্রশ্নটিকেই যেন সুকৌশলে চাপা দিয়ে রেখেছে সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষ। কথা ছিল, নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি আর শেখ হাসিনার আমলের মতো একটি দলের ইশারায় নির্বাচিত হবেন না; সংসদের দুই কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে, জনগণের প্রতিনিধিদের রায়ে নির্বাচিত হবেন।

    উচ্চকক্ষ এখনো গঠিত হয়নি—মানলাম। কিন্তু নিম্নকক্ষ তো আছে। অন্তত নিম্নকক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দাবি জোরালোভাবে তোলা যেত। কে বাধা দিয়েছিল?

    বিরোধী দল চাইলে এ দাবিতে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে পারত। জনগণকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে পারত—জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি সরকারের মুখের কথা ও কাজের মধ্যে মিল নেই। অথচ তারা সেই সুযোগটি কাজে লাগায়নি।

    সরকারের আগ্রহ নেই—এতে হয়তো বিস্ময়ের কিছু নেই। কিন্তু বিরোধী দলের ভূমিকা কী? তারা ইতিমধ্যে নিজেদের ১১-দলীয় জোটের একটি শরিক দলের একজনকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে বলেও মনে হয় না। জোটের কোনো দলীয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দিয়ে দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকা একজন সর্বজনগ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রার্থী করা যেত।

    কিন্তু মূল প্রশ্ন শুধু প্রার্থী কে হবেন, সেটি নয়; রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি কী হবে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরোনো পদ্ধতি বদলে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটের বিধান কার্যকর করার দাবিই হওয়া উচিত ছিল আসল রাজনৈতিক লড়াই। অথচ সেই দাবি তোলার সময় বিরোধী দলের গলার জোর কোথায় হারিয়ে গেল?

    প্রার্থী ঠিক করতে যতটা তৎপরতা, নির্বাচনপদ্ধতি বদলাতে ততটাই নীরবতা—এই বৈপরীত্যই সবচেয়ে বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়।

    বিরোধী দলের উচিত ছিল এই দাবিকে রাজনৈতিক আন্দোলনের বিষয়ে পরিণত করা। সভা-সমাবেশে বলা উচিত ছিল—দেখুন, এই সরকার জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে; রাষ্ট্র সংস্কারের নামে শুধু সময়ক্ষেপণ করছে। সরকারের আন্তরিকতা যাচাই এবং সত্যটি জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য এটি ছিল একটি বড় সুযোগ।

    অথচ বিরোধী দলও নীরব। আর এই নীরবতাই আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি তুলে ধরে—আমাদের দেশের রাজনীতিবিদেরা কি সত্যিই ব্যবস্থা বদলাতে চান? নাকি নিজেদের প্রার্থী বসাতে পারলেই তাঁরা সন্তুষ্ট? তাঁরাও কি অপেক্ষায় আছেন, নিজেদের পালা এলে সেই একই পুরোনো ক্ষমতার চেয়ারে বসবেন বলে?

    ব্যক্তি বদলালেই নতুন বাংলাদেশ তৈরি হয় না। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে ক্ষমতার কাঠামো ও নির্বাচনের পদ্ধতিও বদলাতে হবে। রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ; কিন্তু তিনি কোন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হচ্ছেন, সেটি তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একটি ভিডিও বানালেন কিন্তু সে বিষয়টি বললেন না।

  • | |

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) জানে অনেক কিছু — কিন্তু বোঝে কতটুকু?

    ভূমিকা AI কি সত্যিই মানুষের মস্তিষ্কের মতো চিন্তা করতে পারে? প্রশ্নটি সহজ মনে হলেও এর ভেতরে আছে বড় একটি চিন্তার জায়গা। আজ AI মানুষের ভাষায় উত্তর দিচ্ছে, ছবি তৈরি করছে, চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসাসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ঢুকে পড়ছে। তাই শুধু বিস্মিত হওয়া বা ভয় পাওয়া যথেষ্ট নয়। AI কী করতে পারে, কী পারে না এবং…