অসাধারণ সংবাদ

  • |

    মাড়ির গভীরে ‘কাঁটাযুক্ত’ ক্ষুদ্র রোবট: Periodontitis চিকিৎসায় নতুন পরীক্ষামূলক পথ

    দাঁতের মাড়ির রোগকে আমরা অনেক সময় সামান্য bleeding বা bad breath-এর সমস্যা বলে দেখি। কিন্তু periodontitis দীর্ঘস্থায়ী হলে দাঁতের চারপাশের supporting tissue ও bone ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত দাঁত হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়। এই রোগের একটি বড় সমস্যা হলো periodontal pocket-এর গভীরে তৈরি bacterial biofilm—যেখানে ওষুধ পৌঁছানো এবং জমাট biofilm পুরোপুরি সরানো কঠিন হতে পারে। ৫ আগস্ট ২০২৬-এ Science Advances-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা এই সমস্যার জন্য বেশ অস্বাভাবিক সমাধান পরীক্ষা করেছে: nanothorn-যুক্ত ionogel microrobot।

  • | |

    গণিতের কঠিন সমস্যায় নতুন সাফল্য: কম্পিউটার প্রোগ্রাম ‘Astra’ কী করে দেখাল

    ## রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জুলাই সনদের প্রস্তাবিত গোপন ভোটের দাবি কোথায়?

    একটি ছোট্ট কিন্তু ধারালো প্রশ্ন—নতুন রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হচ্ছেন? শেখ হাসিনার আমলের পদ্ধতিতে, নাকি জুলাই সনদের আলোকে?

    এই প্রশ্নটিকেই যেন সুকৌশলে চাপা দিয়ে রেখেছে সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষ। কথা ছিল, নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি আর শেখ হাসিনার আমলের মতো একটি দলের ইশারায় নির্বাচিত হবেন না; সংসদের দুই কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে, জনগণের প্রতিনিধিদের রায়ে নির্বাচিত হবেন।

    উচ্চকক্ষ এখনো গঠিত হয়নি—মানলাম। কিন্তু নিম্নকক্ষ তো আছে। অন্তত নিম্নকক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দাবি জোরালোভাবে তোলা যেত। কে বাধা দিয়েছিল?

    বিরোধী দল চাইলে এ দাবিতে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে পারত। জনগণকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে পারত—জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি সরকারের মুখের কথা ও কাজের মধ্যে মিল নেই। অথচ তারা সেই সুযোগটি কাজে লাগায়নি।

    সরকারের আগ্রহ নেই—এতে হয়তো বিস্ময়ের কিছু নেই। কিন্তু বিরোধী দলের ভূমিকা কী? তারা ইতিমধ্যে নিজেদের ১১-দলীয় জোটের একটি শরিক দলের একজনকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে বলেও মনে হয় না। জোটের কোনো দলীয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দিয়ে দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকা একজন সর্বজনগ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রার্থী করা যেত।

    কিন্তু মূল প্রশ্ন শুধু প্রার্থী কে হবেন, সেটি নয়; রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি কী হবে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরোনো পদ্ধতি বদলে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটের বিধান কার্যকর করার দাবিই হওয়া উচিত ছিল আসল রাজনৈতিক লড়াই। অথচ সেই দাবি তোলার সময় বিরোধী দলের গলার জোর কোথায় হারিয়ে গেল?

    প্রার্থী ঠিক করতে যতটা তৎপরতা, নির্বাচনপদ্ধতি বদলাতে ততটাই নীরবতা—এই বৈপরীত্যই সবচেয়ে বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়।

    বিরোধী দলের উচিত ছিল এই দাবিকে রাজনৈতিক আন্দোলনের বিষয়ে পরিণত করা। সভা-সমাবেশে বলা উচিত ছিল—দেখুন, এই সরকার জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে; রাষ্ট্র সংস্কারের নামে শুধু সময়ক্ষেপণ করছে। সরকারের আন্তরিকতা যাচাই এবং সত্যটি জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য এটি ছিল একটি বড় সুযোগ।

    অথচ বিরোধী দলও নীরব। আর এই নীরবতাই আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি তুলে ধরে—আমাদের দেশের রাজনীতিবিদেরা কি সত্যিই ব্যবস্থা বদলাতে চান? নাকি নিজেদের প্রার্থী বসাতে পারলেই তাঁরা সন্তুষ্ট? তাঁরাও কি অপেক্ষায় আছেন, নিজেদের পালা এলে সেই একই পুরোনো ক্ষমতার চেয়ারে বসবেন বলে?

    ব্যক্তি বদলালেই নতুন বাংলাদেশ তৈরি হয় না। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে ক্ষমতার কাঠামো ও নির্বাচনের পদ্ধতিও বদলাতে হবে। রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ; কিন্তু তিনি কোন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হচ্ছেন, সেটি তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একটি ভিডিও বানালেন কিন্তু সে বিষয়টি বললেন না।