মন কেন দৌড়ায়—মন কি সত্যিই আমাদের নিয়ন্ত্রণে?
আপনি নিশ্চয় খেয়াল করেছেন—এমন অনেক সময় হয়, যখন আপনি একটি কাজে মনোনিবেশ করেছেন, কিন্তু একটু পরেই দেখেন মন অন্য কোথাও চলে গেছে। এমন অনেক কিছু মনে আসতে শুরু করে, যা এই মুহূর্তে ভাবার ইচ্ছা আপনার ছিল না—তবু আপনার ইচ্ছা ছাড়াই সেগুলো মনে ভেসে ওঠে।
মুসলমানরা এই অভিজ্ঞতাটি সবচেয়ে তীব্রভাবে টের পান নামাজে দাঁড়ালে। তাকবির বলেছেন মাত্র, শরীর কিবলামুখী, ঠোঁটে কিরাত—আর ঠিক তখনই মন চলে যায় কাল রাতের কোনো কথোপকথনে, কিংবা কাল সকালের একটি মিটিংয়ে। রাসুলুল্লাহ (সা.) শিখিয়েছিলেন, নামাজ পড়তে হবে যেন আল্লাহকে দেখছেন—অন্তত এটুকু জেনে যে তিনি আপনাকে দেখছেন (সহিহ মুসলিম, হাদিসে জিবরিল, ৮a)। তবু মন প্রতিবার সরে যায়। কেউ এটি টের পান নামাজে দাঁড়িয়ে, কেউ ধ্যানে বসে, কেউ কোনো বই পড়তে গিয়ে, কেউ জরুরি একটি কাজে মন বসানোর চেষ্টা করার সময়। অভিজ্ঞতাটি একই—শরীর এক জায়গায় স্থির, মন আরেক জায়গায় ঘুরছে। প্রশ্নটি তাই সবার জন্যই: মন যদি আমারই, সে আমার কথা শোনে না কেন?
এটি কোনো দুর্বলতা নয়—এটাই মনের স্বভাব। হার্ভার্ডের দুই মনোবিজ্ঞানী ম্যাথিউ কিলিংসওয়ার্থ ও ড্যানিয়েল গিলবার্ট ২,২৫০ জন মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা পর্যবেক্ষণ করে দেখেছিলেন, নমুনাভুক্ত মুহূর্তগুলোর প্রায় ৪৭ শতাংশ সময় মানুষের মন হাতের কাজের বাইরে অন্য কোথাও ঘুরে বেড়াচ্ছিল। বিজ্ঞানে একে বলে mind-wandering। এটি নিজে খারাপ কিছু নয়—এভাবেই আমরা পরিকল্পনা করি, শিখি, স্বপ্ন দেখি। সমস্যা তখনই, যখন আমরা মনকে এক জায়গায় রাখতে চাই, কিন্তু সে নিজের মতো অন্যদিকে চলে যায়।
মনের সব কাজ একইভাবে চলে না
একটি চিন্তা মাথায় আসার আগে আমরা সেটি বেছে নিই না। কোনো শব্দ, স্মৃতি বা দৃশ্য হুট করে এসে হাজির হয়ে যায়—অনুমতি ছাড়াই। মনোবিজ্ঞানে এই অংশটিকে বলা হয় স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া, আর এর বিপরীতে আছে সচেতন, নিয়ন্ত্রিত মনোযোগ—যেটি ধীর, কিন্তু তুলনামূলকভাবে ইচ্ছাধীন। ওয়াল্টার স্নাইডার ও রিচার্ড শিফরিনের ১৯৭৭ সালের গবেষণায় স্বয়ংক্রিয় ও নিয়ন্ত্রণসাপেক্ষ মানসিক প্রক্রিয়ার পার্থক্য পরীক্ষার মাধ্যমে উঠে আসে। পরবর্তী dual-process গবেষণায় এই দুই ধরনের প্রক্রিয়াকে Type 1 ও Type 2 processing নামে আলোচনা করা হয়েছে; জোনাথান ইভান্স ও কিথ স্ট্যানোভিচ এই ধারণার বৈশিষ্ট্য ও সীমা আরও স্পষ্ট করেছেন। দুটি আলাদা মস্তিষ্ক নয়—একই মনের দুই রকম কাজ করার ধরন।
এখানেই আসল কথাটি লুকানো: মনে কোন চিন্তা প্রথম আসবে, সেটি সব সময় আমার হাতে নেই। কিন্তু আসার পর তাকে কতদূর প্রশ্রয় দেব, সেটি আমার হাতে।
চিন্তাকে জোর করে তাড়াতে গেলে কেন তা ফিরে আসে
একটি সহজ পরীক্ষার কথা বলি। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল ওয়েগনার ও তাঁর সহকর্মীরা অংশগ্রহণকারীদের বলেছিলেন, ‘সাদা ভালুকের কথা ভাববেন না।’ ফল হলো উল্টো—চিন্তাটি দমন করার চেষ্টার পর সাদা ভালুকের ভাবনা আবার ফিরে আসতে দেখা গেল। চিন্তা সাময়িকভাবে দমন করা কখনো সম্ভব হলেও গবেষণায় অনেক ক্ষেত্রে পরে ফিরে আসার একটি প্রবণতা দেখা গেছে।
কারণটি সহজ—চিন্তাটি না ভাবার চেষ্টা করতে গেলেও মনের একটি অংশকে সেই চিন্তার দিকে নজর রাখতে হয়। যাকে তাড়াতে চাই, তাকেই মনের সামনে জাগিয়ে রাখি। শিক্ষাটি তাই: মনকে আঘাত করে চুপ করানো যায় না, বারবার সচেতনভাবে ফিরিয়ে আনতে হয়। ধ্যানে হোক বা কোনো কাজে, মন দশবার সরে গেলে দশবারই তাকে ফিরিয়ে আনা—এটাই আসলে অনুশীলন।
চিন্তা যেভাবে অভ্যাসে পরিণত হয়
জার্মান গবেষক উইলহেম হফম্যান ও তাঁর দল ২০৫ জন মানুষের কাছ থেকে এক সপ্তাহে ৭,৮২৭টি আকাঙ্ক্ষার অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করেছিলেন। দেখা গেছে, মানুষের মনে ইচ্ছা জাগে অনবরত, কিন্তু সব ইচ্ছাকে সে অনুসরণ করে না—তার অভ্যাস, মূল্যবোধ, অন্য লক্ষ্য এবং আশপাশের পরিবেশ কোন ইচ্ছাটি অনুসরণ করবে, তার ওপর প্রভাব ফেলে।
সংক্ষেপে বললে: চিন্তা দরজায় কড়া নাড়ে, মনোযোগ তাকে ঘরে বসায়, বাসনা তাকে শক্তি দেয়, আর পুনরাবৃত্তি তাকে অভ্যাসে বদলে দেয়।
ফিসফিসটি এখন স্ক্রিনে আসে
মানুষের মনে ওঠা প্রতিটি তাগিদই নিছক তার ভেতরের সৃষ্টি নয়। পরিবেশ, অন্য মানুষের কথা, বিজ্ঞাপন, প্রচারণা এবং সামাজিক স্বীকৃতিও চিন্তাকে উসকে দেয়। বহু ধর্মীয় ও দার্শনিক ঐতিহ্য এই অন্তর্গত ও বহিরাগত প্ররোচনাকে নিজেদের ভাষায় ব্যাখ্যা করেছে। আজ সেই পুরোনো প্ররোচনা আরও সংগঠিতভাবে আসে পকেটে থাকা স্ক্রিন থেকে।
আগে এই ফিসফিস আসত কানের কাছে, মুখোমুখি। এখন আসে পকেটে থাকা স্ক্রিন থেকে। বিজ্ঞাপন বলে, ‘এটি না থাকলে জীবন অসম্পূর্ণ।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অন্যের সাজানো জীবন দেখিয়ে নিজের জীবনের প্রতি অসন্তুষ্ট করে তোলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লাইক, শেয়ার ও সম্পৃক্ততানির্ভর ব্যবস্থা অনেক সময় ক্ষোভ ও বিভাজনমূলক বক্তব্যকে বেশি ছড়িয়ে দেয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ক্ষোভপূর্ণ পোস্টে ইতিবাচক সামাজিক প্রতিক্রিয়া—যেমন লাইক ও শেয়ার—ভবিষ্যতে একই ধরনের ক্ষোভ প্রকাশের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। আরেকটি পরীক্ষা দেখিয়েছে, ফোনে নোটিফিকেশন এলে—না খুললেও—মনোযোগনির্ভর কাজের দক্ষতা কমে যায়।
তবে এই প্ররোচনা মানুষকে বাধ্য করতে পারে না, শুধু আহ্বান জানাতে পারে। সাড়া দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি থেকে যায় আমাদেরই হাতে।
আমি যা চাই, আর আমার যা দরকার
মনের একটি কৌশল আছে—নিজের প্রতিটি চাওয়াকে সে প্রয়োজন হিসেবে হাজির করে। ‘এটি ভালো লেগেছে’ থেকে সহজেই ‘এটি আমার পাওয়া উচিত’-এ চলে যায় মন। অথচ চাওয়া আর দরকার এক জিনিস নয়। কোনো কিছু ভালো লাগা মানেই সেটি আমাদের জন্য কল্যাণকর, এমন নয়—আবার কোনো কিছু এড়িয়ে চলতে ইচ্ছা করা মানেই সেটি ক্ষতিকর, তাও নয়। এই ফারাকটি চেনা, আর নিজের প্রতিটি তাগিদকে প্রশ্ন করার অভ্যাসই আত্মসংযমের আসল কাজ।
তবে প্রশ্ন থেকে যায়—কোনটি সত্যিকারের কল্যাণকর, কোনটি নয়, তা বুঝব কীভাবে? এই যাচাইয়ের মাপকাঠি একেকজনের কাছে একেক রকম—কেউ খোঁজেন যুক্তি ও বিবেকে, কেউ নিজের মূল্যবোধ ও অভিজ্ঞতায়, আর কেউ কোনো নির্দিষ্ট বিশ্বাস ও নৈতিক কাঠামোয়।
তাহলে করণীয় কী
জটিল কিছু নয়—পাঁচটি ছোট অভ্যাস:
মন কোথায় সরে যাচ্ছে, খেয়াল করুন—নিজের চিন্তাকে একটু দূর থেকে দেখার এই অভ্যাসই সবকিছুর ভিত্তি।
মনোযোগ সরে গেলে জোর করে লড়াই না করে অর্থপূর্ণ কিছুর দিকে ধীরে ফিরিয়ে আনুন।
যেখানে অস্থিরতা বা ক্ষতিকর তাগিদ বারবার জাগে, সেই পরিবেশ ও সঙ্গ বদলে ফেলুন।
মনকে কেন্দ্রে ফেরানোর একটি নিজস্ব অনুশীলন তৈরি করুন—নিঃশ্বাসে মনোযোগ, ধ্যান বা কোনো স্মরণচর্চা—যা নিয়মিত করলে মন ধীরে ধীরে শান্ত হতে শেখে।
ভুল হলে ডুবে না থেকে ফিরে আসুন। প্রতিটি ব্যর্থতার পর নতুন করে শুরু করার ক্ষমতাই আসল অর্জন।
মন পুরোপুরি আমাদের হাতে নেই, আবার আমরা তার কাছে সম্পূর্ণ অসহায়ও নই। চিন্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসতে পারে, ইচ্ছা তাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, বাইরের প্ররোচনা তাকে উসকে দিতে পারে। পরীক্ষা হলো—আমরা তাকে যাচাই করব, নাকি অন্ধভাবে অনুসরণ করব।
ইসলামের আলোকে একটি প্রতিফলন
একজন মুসলমান এই সম্পূর্ণ বিষয়টিকে ইসলামী শিক্ষারই একটি প্রতিফলন হিসেবে দেখতে পারেন। কুরআনিক ভাষায় মানুষের ভেতরের জগৎ বোঝাতে নফস, কলব ও হাওয়ার মতো শব্দ এসেছে। নফস হলো সামগ্রিক সত্তা, যে সিদ্ধান্ত নেয় ও জবাবদিহি করে; কলব অন্তরের উপলব্ধির কেন্দ্র; আর হাওয়া ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার টান, যা লাগামহীন হলে বিপথে নিতে পারে। বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগের কাজটিকে ‘আকল’ ধাতুর ক্রিয়ারূপে কুরআনে বারবার প্রকাশ করা হয়েছে।
সূরা আন-নাসে বলা হয়েছে, মানুষ আশ্রয় চাইবে ‘আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার’ কাছ থেকে—যে মানুষের অন্তরে ফিসফিস করে, জিন থেকেও আসে, মানুষ থেকেও (১১৪:৪-৬)। আর শয়তান নিজেই স্বীকার করে, তার কোনো কর্তৃত্ব ছিল না মানুষের ওপর—‘আমি শুধু ডেকেছিলাম, তোমরা সাড়া দিয়েছিলে’ (সূরা ইবরাহিম, ১৪:২২)। এ কারণেই কুরআন পাঠের সময় মুসলমানকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতে শেখানো হয়েছে: ‘আ‘উযু বিল্লাহি মিনাশ-শাইতানির রাজিম’—‘আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই’ (সূরা আন-নাহল, ১৬:৯৮)।
চাওয়া আর দরকারের ফারাক নিয়েও কুরআনে গভীর শিক্ষা আছে। যুদ্ধের বিধানের বিশেষ প্রসঙ্গে বলা হলেও একটি আয়াত মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয়: ‘তোমরা কোনো কিছু অপছন্দ করতে পারো, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; কোনো কিছু ভালোবাসতে পারো, অথচ তা অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না’ (সূরা আল-বাকারা, ২:২১৬)। প্রশ্ন ছিল, কোনটি সত্যিকারের কল্যাণকর তা বুঝব কীভাবে। মুসলমানের জন্য এই যাচাইয়ের একটি স্পষ্ট মাপকাঠি আছে—কাজটি হালাল-হারামের সীমার ভেতরে কি না, ন্যায় না অন্যায়, আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে না বিপরীতে। অন্য বিশ্বাস বা দর্শনের মানুষ হয়তো একই প্রশ্নের উত্তর খোঁজেন ভিন্নভাবে—নিজ নিজ নৈতিক কাঠামো, বিবেক বা যুক্তি দিয়ে। মাপকাঠি ভিন্ন হলেও প্রশ্নটি একই: মন যা চায়, তা কি সত্যিই আমার জন্য ভালো?
নফসের তিনটি অবস্থার কথাও ইসলামী চিন্তায় আসে—তিনটি আলাদা সত্তা নয়, একই নফসের পরিবর্তনশীল নৈতিক অবস্থা। নফসে আম্মারা যাচাই ছাড়াই মন্দের দিকে ছোটে (সূরা ইউসুফ, ১২:৫৩)। নফসে লাওয়ামা ভুল করেও নিজেকে প্রশ্ন করে, অনুতপ্ত হয় (সূরা আল-কিয়ামাহ, ৭৫:২)। আর নফসে মুতমাইন্নায় ইচ্ছা জাগে ঠিকই, কিন্তু প্রতিটি ইচ্ছা আর তার পথনির্দেশক হয়ে উঠতে পারে না (সূরা আল-ফজর, ৮৯:২৭-২৮)।
যাঁরা নামাজে দাঁড়ান, তাঁদের জন্য এই পুরো আলোচনাটি একটি বাস্তব অনুশীলনে রূপ নেয়: মন দশবার সরে গেলে দশবারই তাকে কিরাতের দিকে ফেরানো, আর জিকিরের মাধ্যমে বারবার মনকে কেন্দ্রে টেনে আনা—‘আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়’ (সূরা আর-রাদ, ১৩:২৮)। মনকে বন্দী করা মানুষের কাজ নয়; আল্লাহর আশ্রয় নিয়ে তাকে বারবার তার কিবলা চিনিয়ে দেওয়াই মানুষের সাধনা।
তথ্যসূত্র
গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক সূত্র
Killingsworth, M. A., & Gilbert, D. T. (2010). A Wandering Mind Is an Unhappy Mind. Science, 330(6006), 932. DOI
Schneider, W., & Shiffrin, R. M. (1977). Controlled and Automatic Human Information Processing I: Detection, Search, and Attention. Psychological Review, 84(1), 1–66. DOI
Evans, J. St. B. T., & Stanovich, K. E. (2013). Dual-Process Theories of Higher Cognition: Advancing the Debate. Perspectives on Psychological Science, 8(3), 223–241. DOI
Wegner, D. M., Schneider, D. J., Carter, S. R., & White, T. L. (1987). Paradoxical Effects of Thought Suppression. Journal of Personality and Social Psychology, 53(1), 5–13. DOI
Hofmann, W., Baumeister, R. F., Förster, G., & Vohs, K. D. (2012). Everyday Temptations: An Experience Sampling Study of Desire, Conflict, and Self-Control. Journal of Personality and Social Psychology, 102(6), 1318–1335. PubMed
Stothart, C., Mitchum, A., & Yehnert, C. (2015). The Attentional Cost of Receiving a Cell Phone Notification. Journal of Experimental Psychology: Human Perception and Performance, 41(4), 893–897. PubMed
Brady, W. J., McLoughlin, K., Doan, T. N., & Crockett, M. J. (2021). How Social Learning Amplifies Moral Outrage Expression in Online Social Networks. Science Advances, 7(33), eabe5641. PubMed
হাদিস ও কুরআনিক উদ্ধৃতি
সহিহ মুসলিম, হাদিসে জিবরিল, ৮a—ইহসানের সংজ্ঞা। পাঠ
সূরা আন-নাস, ১১৪:৪-৬—কুমন্ত্রণাদাতা জিন ও মানুষের মধ্য থেকে। Quran.com
সূরা ইবরাহিম, ১৪:২২—শয়তানের আহ্বান ও মানুষের সাড়া। Quran.com
সূরা আন-নাহল, ১৬:৯৮—কুরআন পাঠের সময় আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা। Quran.com
সূরা আল-বাকারা, ২:২১৬—পছন্দ-অপছন্দ ও মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। Quran.com
সূরা ইউসুফ, ১২:৫৩—নফসে আম্মারা। Quran.com
সূরা আল-কিয়ামাহ, ৭৫:২—নফসে লাওয়ামা। Quran.com
সূরা আল-ফজর, ৮৯:২৭-২৮—নফসে মুতমাইন্না। Quran.com
সূরা আর-রাদ, ১৩:২৮—আল্লাহর স্মরণে অন্তরের প্রশান্তি। Quran.com